গৃহযুদ্ধের পথে বাংলাদেশ? পর্ব ১

জনগণের ভোট চুরি করে ক্ষমতায় আসা ওই নিয়ত আমাদের নাই।

কাশিমবাজার থেকে শুরু হচ্ছে গুলি।

শরীর কোনভাবে আমাদেরকে দমিয়ে রাখা যাবেনা প্রেসেন্টলি বেগম খালেদা জিয়া এই দেশ পরিচালনা করবে ভোট চুরি করলে জনগণ ছেড়ে দেয় না এই বাস্তবতাকে স্বীকার করতে হবে যে 10 ডিসেম্বর চট্টগ্রাম-খুলনা ফরিদপুর সিলেট ময়মনসিংহ কুমিল্লা রাজশাহীসহ বিএনপির বিভাগীয় মহাসমাবেশ ধারাবাহিকতায় ঢাকায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।


স্মরণকালের সবচেয়ে বৃহৎ গণসমাবেশে ধারণা করা হচ্ছে অন্তত কোটি মানুষের সমাগম ঘটবে বিএনপির সমাবেশে বিএনপির সমাবেশকে ঘিরে জনমনে আতঙ্ক বিরাজ করছে ক্ষমতাসীন শিবির এবং তাদের নিয়ন্ত্রিত প্রশাসনের মাথায় অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অর্থনৈতিক ও আন্তর্জাতিক চাপে থাকা বর্তমান সরকারের মদদ এরইমধ্যে কাঁপতে শুরু।

বিভিন্ন জেলায় আওয়ামী লীগ নেতাদের নির্দেশ প্রশাসনের বাস্তবায়িত হচ্ছে না মারমুখী পুলিশ হঠাৎ করে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করতে শুরু করেছে তাদের ভেতরে প্রশাসনের অনেকেই লন্ডনের সাক্ষাতে চেষ্টা করছেন এরই মধ্যে বিএনপি নেতাদের সাথে গোপন যোগাযোগের অভিযোগে প্রশাসনের অন্তত 25 জন কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে তারপরও প্রশাসন যদি আগের মতো বিরোধী দল দমনের কাজ করার আছে।

এরই মধ্যে আওয়ামী লীগের প্রায় প্রতিটি শীর্ষ নেতাদের সেকেন্ডহ্যান্ড থাকার রাস্তা পাকাপোক্ত করে ফেলেছে আর 160 সেকেন্ড হোম এর শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সেরে আসতে অনেকেই ওমরা পালনের নাম করে দেশ থেকে বেড়ে যাচ্ছে সরকার দলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে চরম নীরবতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে ক্ষমতা হারানোর চিন্তায় তারা এখন বিএনপি নেতাকর্মীদের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক ছবিটা অসাম অনেক বড় প্রাণীর অস্বীকার করি না এই বড় ধরনের সমাবেশ করতে পারে চাঁদপুরে এবং খালেদা জিয়ার রাত দশটা আটটা নটার দিকে যাওয়ার কথা ছিল মার ঘুরিয়ে।

 অন্যদিকে বিএনপি এখনো অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে শক্তিশালী দীর্ঘদিন ধরে বিএনপিতে ভাঙন ধরানোর যে ষড়যন্ত্র সরকারি সংস্থাগুলো করেছে তার হিতে-বিপরীত তৃণমূল থেকে কেন্দ্র সবখানি তারেক রহমানের প্রতি অবিশ্বাস ও আনুগত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কিছুদিন আগেও তারেক রহমানের নেতৃত্বে নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন ছিল দলটি তা প্রমাণ করতে সমর্থ হয়েছে।

যেখানে আন্দোলনের ব্যাপারে নেতাকর্মীরা খণ্ড চরমভাবে আত্মবিশ্বাসী জানা যায় কেন্দ্রের পাশাপাশি তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত নেতাকর্মীদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করেছেন তারেক রহমান।

 মানিকের মধ্যে সুদৃঢ়ভাবে প্রদর্শিত হচ্ছে আমাদের অর্জন সমাবেশে দেখা যায় দু-তিন দিন আগে থেকে নেতাকর্মীদের ফিরে মুখরিত হয়ে উঠছে নির্ধারিত সমাবেশস্থলে সমাবেশগুলোতে শুরু হয়েছে বিএনপি'র কর্মী সমর্থকরা অংশ নিচ্ছেন কারণ এসব সমাবেশে হাজার হাজার সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে যোগ দিচ্ছেন প্রশাসন থেকে জেলাগুলোতে এখন বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর তেমন কোনো চাপ নেই বরং এসব সমাবেশগুলোতে যেন তাদের মৌন সম্মতি লক্ষ করা যাচ্ছে।

 মুসলিম অফিসারদের তুলনামূলক গুরুত্বপূর্ণ পদে রেখে হিন্দু অফিসারদের উপরে অতিমাত্রায় নির্ভরশীল।

সংসহ আওয়ামী দুঃশাসনের পুলিশ সদস্যরা জানান হাঁপিয়ে উঠেছেন আর মাঠের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগও যেন এখন দর্শকের ভূমিকা পালন করছে বিএনপি জিতবে কিভাবে আরেকজনকে বিএনপির সাথে তাল মিলাতে গিয়ে এরইমধ্যে গণসংযোগ শুরু করেছেন কিন্তু এসব সম্মেলনগুলোতে মানুষের অভাব এর বেশিরভাগ আসন ফাঁকা পড়ে থাকছে ছবিটা থেকে আমাদের সমাবেশে হাজার কোন তুলনা হাজার গঙ্গেস গুলোতে মানুষকে ভাড়া করে তারপর সম্মেলনে ভোগ করবার চেষ্টা করা হচ্ছে।

এটা করতে দিন।

এই নীতির সকালবেলা খাওয়া দাওয়া বাসে দিছে তাও গরুর মাংস দিয়ে খাইতে পারিনি খরচ 500 টাকা দিছে সামনে মূর্তি রহস্য মঞ্চের নেতা নেত্রীরা আমার ভিতর খাবার ভালো পাইসি পাইসি এখন নিশ্চিত করে বলা যায় যে কারণে শেখ হাসিনার অবস্থান এখন ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি মত খবর ছড়িয়েছে শেখ হাসিনা।

 এখন বিভিন্ন মহলের সাথে দেনদরবার করছেন ক্ষমতা হারানোর পর পরিবারের লোকজনকে নিয়ে কি হবে সেটা পাওয়া যায় তারপরও সম্ভাবনা কম থাকলেও চরম ক্ষমতা লোভী শেখ পরিবার শেষ চেষ্টা করলে করতে পারেন কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে আওয়ামী লীগ চাইবেই কি এবার আর টিকে থাকা সম্ভব বিশ্বাস করি যে কারণে আজকে বিএনপির স্বাধীনভাবে ভিডিও প্রশ্নপত্র আছে সবই করতে পারে।

আরও পড়ুনঃ জাতীয় যুব দিবস সম্পর্কে 

আসামি যারা অগ্নি সন্ত্রাসের সাথে জড়িত তারা অনেকেই লুকিয়ে ছিল এখন একটু পিয়ানো বাজানো তাল মাঠে নামতে গিয়ে সমস্ত আসামিদের কিন্তু ধরতে হাসিনাকে ক্ষমতায় রাখতে চাইলেও তিনি আর ক্ষমতায় থাকবেন না।

কারণ হিসেবে বৈদেশিক ঋণ নিয়ে বিভিন্ন প্রকল্প করতে গিয়ে হাসিনার সরকার যে পরিমাণ দুর্নীতি লুটপাট করেছে তা নজিরবিহীন দিলে কাদে হিসাব শংকর সরকার জরুরি খাদ্যদ্রব্য পর্যন্ত আমদানি করতে পারছেনা। 

বড় অঙ্কের টাকার প্রয়োজনে বিভিন্ন ব্যাংকে গিয়ে মানুষকে লম্বা সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে কয়দিন ধরে পত্রিকাগুলো প্রয়োজনীয় পরিমাণে কাগজ পারছে না। 

কারণ তাদেরকে বলে দেয়া হয়েছে বিদেশ থেকে পত্রিকায় ছাপানোর জন্য নতুন কোন কাগজের চালানোর আনতে যায় সম্ভব নয় কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এরই মধ্যে বেশিরভাগ লিখিত পরীক্ষা মৌখিকভাবে নিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে তার ওপর আগামী বছর প্রায় 18 বিলিয়ন ডলারের বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করতে হবে সরকারকে।

 নিঃসন্দেহে বলা যায় তখন পরিস্থিতি আরও ভয়ঙ্কর হবে যে কারণে হাসিনার সরকার লেজ গুটিয়ে পালাবে।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url

আপনি যা খুজছেন