ক্ষমতাকে টিকিয়ে রাখার জন্য কি কি করছে শেখ হাসিনা?

 হাসিনার সরকার ক্ষমতায় থাকা তো দূরের কথা বিএনপি যদি দয়া করে ক্ষমতাকে নিয়ে হাসিনাকে একটু উদ্ধার করেন তাহলে হাসিনার খুশি থাকার কথা তার আপন গতিতে চলবে আইন সকলের জন্যই সময় মাথায় রাখতে হবে।

 শেষ মুহূর্তে বসে নেই আওয়ামী লীগ শেখ হাসিনা তার নিজস্ব লোকজনকে দিয়ে ব্যাংক-বীমা শেয়ার মার্কেট থেকে দেদারছে শেষ মুহূর্তে লুটপাট চালিয়ে যাচ্ছেন।


 শুধুমাত্র একটি ব্যাংক থেকে 30 হাজার কোটি টাকা লুটপাটের খবর গণমাধ্যমে ছড়িয়ে আছে আরও কত হাজার লাখ কোটি টাকা লুটের খবর অজানাই থেকে যাচ্ছে ঠকে যায় শেষ মুহূর্তে লুটপাটের পাশাপাশি আখির হুমকিও চলছে যথারীতি সমান হতে শুরু করেছে।

অপেক্ষমান নেতাকর্মীদের উপরে আক্রমণ করেন এরপর দলীয় কার্যালয়ে তার ন্যাক্কারজনকভাবে নিচতলা থেকে ছয়টা পর্যন্ত বিএনপির অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সফর আসবাবপত্র ফাইল গুরুত্বপূর্ণ নথি তলব করে আসছিল না আমার মনে পুলিশ প্রোডাকশনে আসছিল।

 আমি বিএনপি করি এটা আমার দোষ তারিখের বিএনপি পল্টন কার্যালয়ে পুলিশ যেভাবে ন্যক্কারজনক হামলা চালিয়েছে তাতে 10 তারিখে যদি বিএনপির সমাবেশ করতে না পারে কিংবা সমাবেশকে কেন্দ্র করে সরকারি সন্ত্রাসী বাহিনী আবারো হামলা চালায় তাহলে 10 তারিখের পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ভয়ঙ্কর সংঘাতে রূপ নিতে পারে যা গৃহযুদ্ধ রূপ নেয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে বিএনপি এবার আর আগের মতো আন্দোলনে নাও যেতে পারে যেমন 2013 সালে হরতাল দিয়ে বিএনপির দু'টি গাড়ি ভাঙচুর করেছে আওয়ামী লীগ রাতে চারটি গাড়ি পুড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশের এক কোটি মানুষ মরে গেল।

যায় আসে না বরং মানুষ মরার পর কান্নার নাটক করে জনগণের কাছে করুণা কুড়ানো হাসিনা পুরাতন অভ্যাস।

 হাসিনার নিয়ন্ত্রিত মিডিয়া এভাবে বিএনপি'র আন্দোলন কে নিজেদের কাজে ব্যবহার করেছে যে কারণে বিএনপি এবার আন্দোলনে বিভিন্ন কৌশল নিতে পারে যেমন রাস্তায় রাতে গাড়ি ভাঙচুর না করে তারা আওয়ামী লীগ নেতাদের কে টার্গেট করতে পারে এমনকি তাদের বাড়িঘর কিংবা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা সম্ভাবনা রয়েছে। 

এছাড়া পুলিশের ভেতরে যাদেরকে অতিউৎসাহী দেখা যাচ্ছে ওইসব পুলিশ সদস্যদের কে টার্গেট করতে পারে বিএনপি যেমন নয়াপল্টনের অভিযানে বিপ্লব কুমার হারুনুর রশিদসহ তাদের মধ্যে যারা নেতৃত্ব দিয়েছে তারা।

 যখন তাদের অফিস থেকে বাসায় যাবে কিংবা বাসা থেকে কর্মস্থলে যাবে তখন আন্দোলনকারীরা তাদেরকে টার্গেট করতে পারে কিংবা পুলিশের বিশাল বহর যেখানে থাকে।

 সেখানে সংঘর্ষে মাঝারি থানার ওসিসহ অন্য কর্মকর্তারা যখন থানা থেকে বের হচ্ছে তখন তাদের উপর হামলা হতে পারে কিংবা মনে করেন যে সব পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এতদিন নির্যাতনের সাথে জড়িত ছিল তাদের মধ্যে যারা পেনশনে যাচ্ছে তাদেরকে।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url

আপনি যা খুজছেন