লম্বা হওয়ায় উপায় ও ব্যায়াম | What exercise will make you taller?

 আসসালামু আলাইকুম বন্ধুরা আশা করছি সকলেই ভাল আছেন। 

আজকে যে সব টপিক নিয়ে কথা বলব সেটি হচ্ছে লম্বা হওয়ার উপায় ও ব্যায়াম। 

আমাদের মধ্যে অনেকেই আছি তিন থেকে চার ইঞ্চি লম্বা হতে চাই। এটি একদিনের সম্ভব নয় সেটা আমরা অনেকেই জানি তবে আয়ের জন্য আমাদেরকে সময় ও খাবার দুটো ঠিক রেখে কাজ করতে হবে। এক ঘন্টা ব্যায়াম করতে হবে আমাদেরকে উচ্চতা বাড়াতে 

আমাদেরকে টাইম মেইন্টেইন করে কাজ করতে হবে।

 আপনার মনে হতে পারে হঠাৎ করে আপনার বন্ধুরা এত লম্বা হয়ে যাচ্ছে কিন্তু আপনি গুরুতরভাবে অনেক পিছিয়ে রয়েছেন আপনি লম্বা হচ্ছেন না। সত্যি হল কোন ব্যক্তি উচ্চতা বেশির ভাগই নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকা জিনিসের দ্বারা নির্ধারিত হয় যেমন জিম রয়ে গেছেন করতে পারছেন না আপনি কিন্তু আপনি হতে পারে আপনার পরিবারের বাকি মানুষগুলো অনেক লম্বা। 

লম্বা হওয়ায় উপায় ও ব্যায়াম | What exercise will make you taller?


ছোট বয়সে উচ্চতা প্রভাবিত করে এমন অনেকগুলি কারণ রয়েছে যেমন আপনার খাদ্য। 

 আজকে আমাদের কি ভুল ভ্রান্তি রয়েছে লম্বা হওয়ার ক্ষেত্রে এবং ব্যায়ামের ব্যাপারে সেটি জেনে নিই।

তো চলুন লম্বা হওয়ার উপায় গুলো একটু চোখ মেলে দেখে আসি। 

১. সুষম খাদ্য গ্রহণ করা। 


লম্বা হওয়ার জন্য প্রচুর পরিমাণের চর্বিযুক্ত প্রোটিন খাবার খান। এর মধ্যে মটরশুঁটির ছয়া এবং বাদামের মতো চর্বিযুক্ত প্রোটিন গুলি সহায়তা করে। এর মধ্যে আপনি খেতে পারেন পিজ্জা, কেক। 

প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম খেতে পারেন। সবুজ শাক খেতে পারেন। বিভিন্ন শাকসবজি রয়েছে আমাদের দেশে। 

ছোট ছোট মাছ রয়েছে যেগুলোতে প্রচুর পরিমানে ক্যালসিয়াম রয়েছে আর এই ক্যালসিয়াম হাড়কে শক্ত ও উন্নতিতে সাহায্য করে। 

জিংকের অভাবে দেহের বৃদ্ধি সহ নানা ধরনের সমস্যা হয়ে থাকে তাই দেহের বৃদ্ধির জন্য বা লম্বা হওয়ার জন্য জিংকের অভাব পূরণ করতে হবে। 

 জিংকের অভাব পূরণে লম্বা হওয়ার উপায় সহজেই করতে পারে।

কি খাবারে বেশি বেশি জিংক পাওয়া যায়? 


১। গরু ও খাসির কলিজায় 
২। আটা ও ময়দার রুটিতে
৩। দধি জাতীয় সকল খাদ্য
৪। মসুর ডাল
৫। সমুদ্রের মাছ 
৬। মাশরুম 
৭। চীনাবাদাম
৮। গরু ও ভেড়ার গোস্তে।


তাছাড়াও ভিটামিন ডি পর্যাপ্ত পরিমাণে আহরণ করতে হব। 
কারণ ভিটামিন ডি হার ও পেশী বৃদ্ধিতে  সহায়তা করে। 

ভিটামিন ডি আহরণের জন্য খুব সকালে এবং সন্ধ্যার দিকে আপনি বাইরে সূর্যের আলোতে থাকতে পারেন।

সকাল এবং বিকেলে সূর্যের আলো থেকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ডি পাওয়া যায়। 

২। মানসিক চিন্তা থেকে দূরে থাকুনঃ


আমাদের মধ্যে অনেকে আছে অনেক মানুসিক অশান্তিতে থাকি।  লম্বা ও ব্যায়ামের ক্ষেত্রে আপনাকে এসব দুশ্চিন্তা থেকে দূরে থাকতে হবে। আপনি যখন দুশ্চিন্তায় থাকবেন তখন আপনার খাওয়া দাওয়া, ঘুম কিছুই ঠিক থাকবেনা।

তাই লম্বা হওয়ার ক্ষেত্রে দুশ্চিন্তা থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করতে হবে।

৩। নেশা থেকে দূরে থাকুনঃ 

নেতা জাতীয় দ্রব্য শরীরের জন্য যেমন ক্ষতিকর তেমনি শরীরের হরমোনের পরিমাণ কমিয়ে আনে। শরীরের বৃদ্ধিতে বাধা সৃষ্টি করে। এখনই ধুমপান,  মদ, গাজা এসব নেশা থেকে বেড়িয়ে আসুন। 

৪। ব্যায়ামঃ

লম্বা হতে যেসব কাজ গুলো আপনাকে করতে হবে সেগুলো হলো,  ১ ঘন্টা ব্যায়াম করুন। সাঁতার কাটা, দড়ি লাফানো, রিং টানাসহ বুক ডাউন দিন। 

বিশেষভাবে দ্রুত কাজের জন্য জিম সেন্টারে ভর্তি হতে পারেন।

৫। নিয়মিত সময় ঠিক করে ঘুমানঃ

প্রতিদিন রাতে পর্যাপ্ত পরিমানে ঘুমাতে হবে, ঘুম আপনার শরীরের বৃদ্ধিতে প্রচুর সহায়তা করবে। যাদের বয়স ২০ বছরের কম তারা ৮ থেকে ৯ ঘন্টা প্রতিদিন ঘুমান।

আপনি যদি পরিমাণ মত ঘুমান তাহলে আপনার শরীরের হরমোন তৈরি হতে ও লম্বা হতে সময় পাবে। তাই সবসময় একই সময়ে ঘুমাবার অভ্যাস করুন। গভীরভাবে ঘুমাতে পারলে পিটুইটারি গ্লান্ড থেকে হাড়ের গ্রুথ বের হতে সাহায্য করবে।


আরো পড়ুনঃ জাতীয় যুব দিবস ২০২৩


নিচে কিছু ব্যায়ামের কথা উল্লেখ করা হল যেগুলো করা অভ্যাস করাটা জরুরিঃ


ব্যায়াম শরীরের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। আমরা অল্প পরিশ্রমে অনেক বেশি কিছু আশা করি।  এটা করা যাবেনা। শরীরের গঠন প্রনালি পরিবর্তন হতেই ২-৩ মাস সময় লেগে যায়। আর যেকোন শারীরিক কিছু করার আগে অবশ্যই সার্টিফাইড ডাক্তারের মরামর্শ নেয়া উচিত। 


ব্যায়াম করার আগে আপনার শরীর অবশ্যই গরম করে নেবেন। বুক ডাউন ও হাত পা ছাড়াবেন। 


নিচে কয়েকটি লম্বা হওয়ার ব্যায়ামের উপায় দেয়া হলঃ
 


১। আপনি সমতল হয়ে শুয়ে পড়ুন।  হাতের তালুতে ভড় দিয়ে শরীরের অংশটি আস্তে করে উপরে তুলুন। তারপর মেরুদন্ড বাকা করে মাথা যত পারেন বাকা করুন 

২। হাটুগুলো ভাজ করে বাঘের মত হাতের তালু এবং আর পায়ের হাটুতে ভড় দিয়ে বসেন। তারপর মাথাকে উপরের দিকে বাঁকা করুন। তারপর আপনার পিঠকে নিচের দিকে যতটুকু পারেন বাকিয়ে নেন। তারপর মাথাকে নিচের দিকে বাকিয়ে নেন এবং উপর দিকে বাকিয়ে নিন। 

৩। সমতল মেঝে দু পা দুদিকে ছড়িয়ে বসেন। তারপর হাঁটু বাদ না করে দেন হাঁটুতে লাগানোর চেষ্টা করুন তারপর বাম হাটুতে নাক লাগানোর চেষ্টা করুন ১০ সেকেন্ড পর পর বেশ কয়েকবার করুন। 

৪। উপর হন ও পায়ের পাতার উপর বর দিয়ে শরীরটির উপর দিকে বাকিয়ে উঁচু করে তুলে ধরুন মাথার নিচে রেখে দশ চাকার পরপর কয়েকবার বেশ কয়েকবার করুন। 

তো বন্ধুরা আশা করছি আপনাদের এই আর্টিকেলটি অনেক উপকারে আসবে এবং হ্যাঁ এই আর্টিকেলে যেই দিক নির্দেশনা গুলো দেয়া হয়েছে সেইগুলো ফলো করলে আশা করছি আপনারা একটি গ্রহণযোগ্য ফলাফল পাবেন। 


Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url

আপনি যা খুজছেন