বর্তমান আইনের অন্যতম উৎস কি? | What is one source of current law?

বর্তমান  আইনের উৎপত্তি ও বিকাশ  :

আইন কি কিভাবেই বা আইনের সৃষ্টি, প্রাচীণ বিশুব ব্যবস্থা থেকে শুরু করে আধুনিক বিম্ভ ব্যবস্থাতে বিচার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত আছে। তবে বিচার ব্যবস্থা কিন্তু সব সময় একই রকম ছিল না। প্রাচীন কালে দেশের রাহা হতেন প্রধান বিচারপতি, তবে আধুনিক বিশ্ব সেই প্রথা থেকে বেরিয়ে নতুন বিচার ব্যবস্থা সৃষ্টি করেছে, বর্তমানে আর দেশের রাজা প্রধান বিচারপতি হন না। 

গণতন্ত্রের জোয়ায়ে রাজ তন্ত্র আজ বিল্পপ্ত প্রায়। যদি এখনও বেশ কিছু দেশের শাসনকর্তা হলেন রাজা, সে সকল দেশে এখনও রাজ তন্ত্র টিকে আছে। আবার এমনও দেশ আছে যেখানে রাজা আছে বটে তবে রাজা দেশ শাসন করেন না। দেশ শাসন করে গণত্রন্ত্রিক সরকার, জনগণ ভোট দিয়ে তাদের শাসক নির্বাচন করে। রাজা সে সকল দেশে অতি সম্মানিত ব্যাক্তিরুপে দেশের নাগরিকদের শ্রদ্ধার পাত্র হিসেবে জীবন যাপন করেন। 

বর্তমান আইনের অন্যতম উৎস কি? | What is one source of current law?

তবে এই ধারাতেও আছে বিন্যতা, বৃটেনের রাজার কিছু সাংবিধানিক ক্ষমতা আছে, বৃটেনের রাজা শুধু নামেই রাজা নন তিনি কাজেরও রাজা। বৃটেনে নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতা গ্রহণ করতে হলে রাণীর অনুমোদন নিতে হয়। রাণীর অনুমোদন ছাড়া কোন সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করতে পারে না।

বর্তমানে বৃটেনের রাজ পরিবারের প্রতি বৃটিশ নাগরিকদের ভক্তি শ্রদ্ধায় ভাটা নেমেছে অনেক বৃটেন নাগরিকই রাজ বৃটিশ রাজতন্ত্রে সম্পুর্ণ বিলুপ্তি চান, আবার অনেক বৃটিশ নাগরিক চান রাজ তন্ত্র বহাল থাক, বৃটিশ রাজতন্ত্রেকে তারা গর্বের বিষয় মনে করেন। 

এই তো মাাত্র ৭৪ ৭৫ বছর আগেও পুরো ভারত বর্ষ শাসন করত বৃটিশরা, আজ ভারত বর্ষ বৃটিশ শাসন থেকে বেরিয়ে পৃথক তিনটি স্বাধীন রাষ্ট্রের সৃষ্টি করেছে যথা বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তান। ভারত বর্ষ ভেঙ্গে জাতি ও ধর্মের ভিত্তিতে পৃথক একটি রাষ্ট্র সৃষ্টি হয় তা হল পাকিস্তান পরে ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের মধ্য দিয়ে ১৬ই ডেসেম্বর বাংলাদেশ নাম নতুন একটি রাষ্ট্র পৃথীবিতে আতপ্রকাশ করে। ভারত বর্ষ ভেঙ্গে ৩ টি দেশ সৃষ্টি করলেও এই তিনটি দেশের আইনি কাঠামো অনেকটাই এক যদিও তিন দেশের আইন ৩ রকম তবে বিচার পদ্ধতি, ও বিচার ব্যবস্থাতে তেমন কোন পার্থক্য দেখা যায় না। 

ভারত একটি বড় দেশ ভারতে ২৮ টি স্বায়ত্ব শাসিত রাজ্য ও ৮ টি কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল আছে, প্রতিটি স্বায়ত্ব শাসিত রাজ্যের আইন ভিণ্য। প্রত্বেক রাজ্যের আইন রাজ্য সরকার প্রনয়ন করে থাকে। বাংলাদেশ একটি গনত্রান্ত্রিক রাষ্ট্র এই দেশে ভারত ও পাকিস্থান হতে ভিন্য আইন প্রচলিত আছে, যদিও এমন অনেক আইন এখনও কার্যকর আছে যা ভারত বর্ষের সাবেক শাসক বৃটিশ সরকার প্রনয়ন করে গেছে। 

Read More : ক্ষমতাকে টিকিয়ে রাখার জন্য কি কি করছে শেখ হাসিনা?

আইনের উৎপত্তি ও বিকাশ: 

মানব জাতি জঙ্গল জীবন ছেরে যখন সভ্যতার সৃষ্টি করে থখন থেকেই সামাজিক সৃঙ্খলার শার্থে আইনের প্রয়জন দেখা দেয়। প্রাচিন সমাজে অপরাধ প্রতিরোধের জন্য বিভিন্য আইন প্রনয়ন করা হয়, যেমন কেউ একজন লোক অপর অরেকজনের খাদ্য চুরি করল। যখন সমাজে চুরি বেরে যাবে তখন সেই সমাজে অস্থিতিশিলতা দেখা দেবে যা সমাজের উন্নয়ন এবং শান্তি সৃঙ্খলাতে বিগ্ন সৃষ্টি করবে, এ ব্যাপারটি সে সময়ের সমাজপতিগণ খুব ভাল ভাবেই বুঝতে পেরেছিলেন।

 তাই তারা এমন নিয়ম চালু করার পদক্ষেপ গ্রহণ করেন যা সমাজে চুরি কমাতে কার্যকর ভুমিকা রাখবে। তবে সে সময়ের আইন কানুন বর্তমান সময়ের মত ছিল না প্রচানি কালের আইন খুব কঠোর ও অমানবিক ছিল, এতটাই কঠিন আইন ছিল যা আমি এখানে লিখতে চাই না। 

যে সময় পার করে আজ আমরা আধূনিক বিচার পদ্ধতিতে পদার্পন করেছি। অধুনিক বিচার ব্যবস্থাতে যে কারও বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ করা হলে পুলিম প্রথমেই সেই ব্যক্তিকে শাস্তি প্রদান করে না। পুলিশ প্রথমে সেই অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জিগ্গাসাবাদ করে, দরকার হলে গ্রেফতারও করে, তারপর সেই ব্যক্তিকে আদালতে তোলা হয়। 

অভিযুক্ত ব্যক্তি আত্বপক্ষ সমর্ধনের পুরো সুযোগ পেয়ে থাকেন, তিনি নিজের জন্য আইনযিবি নিয়োগ করেন, উন্নত দেশ সহ বাংলাদেশেও বর্তমানে অভিযুক্ত কিংবা ভুক্তিভুগি যদি মামলার ব্যায় নির্বাহ করতে না পারে তবে সরকার মামলার ব্যায় নির্বাহ করে থাকে। প্রিয় পাঠক আজ এই প্রর্যন্তই শিঘ্রই পরবর্তি পোষ্ট নিয়ে আপনাদের মাঝে উপস্থিত হব।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url

আপনি যা খুজছেন